আকসা যেন বাংলাদেশের চেতনায় উপস্থিত থাকে — অনুপস্থিত বা বিস্মৃত নয়।
মৌসুমি বক্তৃতাকে স্থায়ী ইলমে এবং ক্ষণিক অনুভূতিকে প্রজন্ম-পরম্পরায় বহনযোগ্য প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্বে রূপান্তর করি।
ফিলিস্তিন উলামা পরিষদ ও বিশ্বের আলিমদের সহযোগিতায় — গবেষণা, শিক্ষা ও প্রকাশনার মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের কাছে চারটি ভাষায় ফিলিস্তিন, আল-কুদস ও মসজিদুল আকসার প্রামাণ্য জ্ঞান উপস্থাপন।
এমন একটি বাংলাদেশী প্রজন্ম দেখতে চাই — যারা আকসাকে নিজের ঘরের মতো চেনে, মূল উৎস থেকে তার ইতিহাস পড়ে, এবং আবেগ নয় — ইলম দিয়ে তার পক্ষে দাঁড়ায়।
- 01
চার ভাষায় একটি ডিজিটাল গ্রন্থাগার — যেখানে ফিলিস্তিন ও কুদসের মূল উৎস সংরক্ষিত থাকবে।
- 02
ফিলিস্তিন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ একদল বাংলাদেশী গবেষক ও অনুবাদক গড়ে তোলা।
- 03
বাংলাদেশের বড় বিশ্ববিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও মসজিদে নিয়মিত ইলমি কর্মসূচি পরিচালনা।
- 04
উচ্চমানের একাডেমিক ও সাধারণ প্রকাশনার একটি ধারাবাহিক সিরিজ প্রকাশ।
- 05
ফিলিস্তিন প্রসঙ্গে কাজ করা আন্তর্জাতিক ইলমি নেটওয়ার্কের সঙ্গে বাংলাদেশের যোগাযোগ স্থাপন।
ইলমি আমানত
আমরা কাটছাঁট করি না, বাড়িয়ে বলি না, বিকৃত করি না — প্রসঙ্গসহ পূর্ণ মূলপাঠ উপস্থাপন করি।
স্বাধীনতা
বাংলাদেশের যেকোনো দলীয় অবস্থান থেকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ; কিন্তু ফিলিস্তিনের প্রশ্নে স্পষ্টতই হকের পক্ষে।
দীর্ঘমেয়াদী নির্মাণ
আমরা আমাদের কাজ সপ্তাহ নয়, কয়েক দশকে পরিমাপ করি।
