ফিলিস্তিনের প্রশ্নে বাংলাদেশের একটি জ্ঞান-ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান।
ঢাকা থেকে গবেষণা, শিক্ষা ও প্রকাশনার মাধ্যমে — ফিলিস্তিন উলামা পরিষদের সঙ্গে একাডেমিক অংশীদারিত্বে বাংলাদেশের মানুষের কাছে ফিলিস্তিন ও আল-কুদসের প্রামাণ্য জ্ঞান পৌঁছে দিচ্ছি।
মুআসসাসাতুন নাহদা আল-ইসলামিয়া বাংলাদেশ এই দৃঢ় বিশ্বাসে প্রতিষ্ঠিত — আল-আকসার প্রশ্ন কেবল সংবাদ-শিরোনাম নয়; এটি প্রতিটি মুসলিম প্রজন্মের কাঁধে ন্যস্ত একটি ইলমি ও দীনি আমানত।
ঢাকায় তালিবুল ইলম, অনুবাদক ও গবেষকদের একটি ছোট দল থেকে আমাদের যাত্রা — যাঁদের স্বপ্ন ছিল, বাংলাদেশের নিজের ভাষায় কথা বলে এমন একটি ইলমি প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠুক, যা এই প্রজন্মকে আকসার প্রশ্নে সচেতন করবে।
আজ আমরা একটি স্বাধীন বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠান হিসেবে — ফিলিস্তিন উলামা পরিষদের সঙ্গে একাডেমিক অংশীদারিত্বে এবং ফিলিস্তিন, আরব বিশ্ব ও তুরস্কের আলিম-গবেষকদের সঙ্গে সহযোগিতায় কাজ করছি — যাতে এক মৌসুমে নয়, বরং কয়েক দশকে আকসার পক্ষে একটি স্থায়ী প্রাতিষ্ঠানিক স্মৃতি গড়ে ওঠে।
আবেগের আগে ইলম
আমাদের প্রতিটি প্রকাশনা — প্রবন্ধ, লেকচার বা রিপোর্ট — মূল উৎস ও ইলমি পর্যালোচনার ভিত্তিতে প্রস্তুত।
চার ভাষা, এক কণ্ঠ
আরবি, বাংলা, ইংরেজি ও তুর্কি — চারটি ভাষায় প্রকাশনা; যাতে কোনো পাঠকের কাছে জ্ঞানে প্রবেশের পথ বন্ধ না থাকে।
প্রতিষ্ঠান, ক্যাম্পেইন নয়
মৌসুমি ঢেউ নয়; স্থায়ী আর্কাইভ গড়ছি। আজ যা লেখা হয়, তা কয়েক দশক পরও পঠিত হবে।
প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা
কোনো দলীয় অবস্থান বা সরকারি তহবিল নয়; আনুগত্য কেবল সত্য ও মূল উৎসের কাছে।
প্রথমে মূল উৎস
যেকোনো গৌণ মন্তব্যের আগে কুরআন-সুন্নাহ এবং মূল ঐতিহাসিক ও আইনি দলিলে ফিরে যাই।
দ্বৈত ইলমি পর্যালোচনা
প্রতিটি গবেষণা দুই স্তরে পর্যালোচিত হয় — একজন বিশেষজ্ঞ আলিম ও একজন ক্ষেত্রভিত্তিক গবেষকের কাছে।
সাংস্কৃতিক অনুবাদ, আক্ষরিক নয়
প্রতিটি ভাষার নিজস্ব ভঙ্গিতে আমরা লেখাকে রূপান্তর করি — বাংলা পাঠক তুর্কি পাঠক নন, আরবি পাঠকও আলাদা।
প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হয় বাংলাদেশী আলিম-গবেষকদের একটি ইলমি পর্ষদ দ্বারা — ফিলিস্তিন উলামা পরিষদ ও বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একাডেমিক অংশীদারিত্বে। পর্ষদ সদস্যদের পূর্ণ পরিচিতি শীঘ্রই প্রকাশিত হবে।
